অন্ধকারের সেই হিমশীতল স্পর্শটা আমানের ঘাড় বেয়ে মেরুদণ্ড পর্যন্ত নেমে গেল। তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা 'স্মৃতি-আমান' বা সেই পিক্সেল-সত্তাটি ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। ওর অবয়ব থেকে পচা ওজোনের একটা গন্ধ নাকে আসছে। "আমান... তোমার অস্তিত্বের আর প্রয়োজন নেই," যান্ত্রিক দ্বৈত স্বরে বলে উঠল সত্তাটি। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তে আমানের হাতে থাকা বাবার পুরনো চশমাটার একটি ভাঙা কাঁচ তার হাতের তালু চিরে দিল। তীব্র শারীরিক যন্ত্রণায় আমানের মস্তিষ্কে যেন বিদ্যুৎ খেলে গেল। '৯৯% কমপ্লিট' হওয়া ডিলিট প্রসেসটা এক মুহূর্তের জন্য থমকে দাঁড়াল। মানুষের আদিমতম অনুভূতি— বেদনা— যা কোনো কোড দিয়ে লেখা সম্ভব নয়, তা বর্ণনের সিস্টেমে এরর তৈরি করল। আমান বুঝতে পারল, এটাই শেষ সুযোগ। সে পকেট থেকে তার বাবার উপহার দেওয়া ঘড়িটির সেই ভাঙা অংশ আর চশমার কাঁচটা একসাথে চেপে ধরল। ১০৮৮ গ্যালাক্সির সেই পরজীবী ধাতু আর মানুষের রক্তের স্পর্শে এক অদ্ভুত রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু হলো। "বর্ণন! তুই মানুষের স্মৃতি খেতে চেয়েছিলি না? তবে নে!" আমান ঘড়িটির ভাঙা অংশটা নিজের ফোনের ট্রান্সমিটারের ভেতরে ঢুকিয়ে দিয়ে শর্ট-সার্ক...