মাগরিবেরই পড়ছে আযান,সূর্য ডুবে গেছে,
নিসর্গ তাই নিরব সভায় দিচ্ছে ধ্বনি যেচে।
সবুজঘেরা অরণ্যতে সভার কার্য শেষ,
প্রকৃতির প্রাণের সখাও দান পেয়েছে বেশ।
গাছ গাছালি,বৃক্ষ লতা, চলছে যেন ধীরে,
বিকেল শেষে সন্ধ্যা হলো,ফিরবে তারা নীড়ে।
আবছা আলোয় ফিরল যবে ক্লান্তি জাগে দেহে,
নিত্যচেনা নিকুঞ্জ ওই,নিজের আপন গেহে।
গাছের ঝাড়ও ঘুমের ঘোরে ঠায় দাঁড়িয়ে রয়,
ঝিঁঝিপোকা চলছে হেকে,সেতো থামার নয়।
আঁধার বনের আবছা ছায়া, বৃক্ষরাও তো ঘুম,
প্রান্তসীমায় খানিক হাওয়া দেয় বুলিয়ে চুম।
গাছের পাতা উঠলো দুলে,কমলো ঘুমের রেশ,
ঊর্ধ্বপানে তারার মেলায় বাড়ায় তার আবেশ।
অচিনপুরের অচিন তারা,আবাস তাদের কোথা?
আলোক বিলায় ধরার মাঝে,জাগায় আলোর সভা।
দূরের পথে চলন তবু আঁধার তার সঙ্গে,
বনের ছায়ায় যায় মিলিয়ে শুধুই তরঙ্গে।
গাছগুলি কি দ্যায় পাহারা,শুধু রয় দাঁড়ায়?
অসাড় তারই ডালগুলো ঠায় হাওয়াতে নাড়ায়।
এতেক ভেবে ঘুম অচেতন বৃক্ষ ওঠে জেগে,
গুল্ম,তাতে উঠলো নাচন,খানিক বাতাস লেগে।
তরুলতার ক্লান্তি মিলায়,সজীব হলো প্রাণ;
নতুন দিনের আগাম কথা,জাগলো নূতন গান।
নিশিথেরই সময় রেখা গড়ায় তবে শেষে,
মানব নামের যন্ত্রে দ্যাখো অনিশ্চিতি মেশে।
৪/৬/২৩,রবিবার

Comments
Post a Comment