যে শহরে কবিরা মরে যায়,
সে শহরে মানুষ কিভাবে বাঁচে?
ভাবলেশহীন চলন্ত রোবট কতগুলো
যেথা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
সে শহরে কি মানুষ বাঁচে,
যেথা আছে শুধু মানসিকতার দাসত্ব?
চাকচিক্যের বর্ণনায় ক্লান্ত আর ক্লান্ত
আমরা–
মানবিকতা দিয়েছি বর্গাচাষীর কাছে।
যে শহরে যাপিত জীবন কেবল যন্ত্র-যন্ত্র খেলে,
সে শহর রঙিন, হয় মুখরিত, অর্থ মন্ত্র পেলে।
রঙিন তবুও নয়– সাদাকালো,
জীবনের দেখা ছাঁচে।
এখন আর কেউ হয়না কবি,
কবিতায় আনে যেন মৃত্যু,
রঙিন ফুলের সুবাসে পাখিরা সেই সে কবে,
কিচিরমিচির করে ডেকেছিল গাছে গাছে।
যে শহরে কবিরা মরে যায়,
সে শহরে কি মানুষেরা আর বাঁচে?
বঞ্চিত হৃদে হাহাকার ধ্বনি
আর ধূর্তরা শুধু নাচে।
মানুষ যেন মানুষ নয়কো,মানুষ শুধুই নামে,
তবে কবিরাও চলবে কি স্বার্থের পিছু পিছু?
কবিতার তরে এতই অবজ্ঞা! আস্তাকুঁড়েই যাও,
তব কাঙ্ক্ষিত পরজীবীদের পাছে পাছে।
সে শহরে কি কবিরা বাঁচে
যেথা মানুষই অনস্তিত্ব?
নয়? তবে,তা হবে শীঘ্রই
যদি হৃদয় না রয় কাছে।
কবির লাশের উপর দিও তখন
ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফুল,
হেরে তায় শরতের সাদা মেঘও হবে বিহ্বল;
দিও ফিরিয়ে তারে আদিম আবাসে,
মুগ্ধতা যেথা আছে।
✍️:কাজী আহমদ এয়ার খান নাহিয়ান
২৩.১২.২৩;
চকবাজার, চট্টগ্রাম
.jpeg)
Comments
Post a Comment