Skip to main content

Posts

নজরুল কে?

 নজরুল কে? নজরুল কে? সত্য হাঁকে, ছন্দের বাঁকে কবিতার আঁকে। চিত্ত চঞ্চল, জ্বালাময়ী কবি যার কবিতা আলোকিত রবি, বিদ্বেষী,দ্রোহময়,অন্যায়-অজাচার বিদ্রোহী কবিতায় জ্বলে ছারখার।। জালিমের জুলুম থামবে কি কভু? বিদ্বেষী তরে বিদ্রোহী তবু।। হে নজরুল!! কখন রুদ্ধ?করেছ যুদ্ধ, কামান থেমে থেমে ডাকে; তারি সাথে করেছ খতম, কলমের ঐ আঁকে।। হ্যা,সত্যের-শান্তির পথ আঁকে, তব কলমে কালির রেখা অবশ্যই, অবশ্যই নজরুল সে কবিতার লেখা। হে বিদ্রোহী কবি!! বিদ্বেষীদের ভেঙে দাও সব বাঁধ, শান্তির পরশে সাম্যবাদী মিটাও মনের সাধ।। লেখকঃ নাহিয়ান 

ধূপছায়া

  সকাল সাঁঝে ভ্রমণরত উত্তরেতে বায়, "শীত এসেছে",বলল তারা-"জানান দিয়ে যাই"।  আঁৎকে উঠে বলি আমি, শীতের আগমন?  দাঁত কপাটি কাঁপায় আমার,ঠান্ডা যে কনকন।।  শীতে বেজায় ঠান্ডা হাওয়া, ধাওয়া করে মাঠ- কুহেলিকার চাদর সেথা, বিলায় অস্তপাট।। গিরির এমন আবছা ছায়া দেখায়নি তো কেউ- শীতের তরে পেলাম দেখা অপূর্ব এই ঢেউ।।  শীতের সূর্য রঙিন করে নবীন তরুর দেশ, ফুলে ফুলে পাখির ভ্রমণ মুগ্ধ করে বেশ।।  সূর্য কিরণ ক্লান্ত হয়ে বিকেল ফিরে  যায়,  আবির ছড়ায় লালচে আভা,প্রভুর এই দয়ায়।। রহস্যরা নতুন করে জাগে শীতে খুব - রাত্রিশেষের হয়ত কায়া ছায়ার মাঝেই ধূপ।। ©কাজী আহমদ এয়ার খান নাহিয়ান 

পথিকৃৎ

 পথিকৃৎ  চলিছে পথিক,তিমির রাত্রি, একেলা নিঝুম পথে চক্ষু তাহার ভ্রমিতেছে হায়, মুসাফির মুসিবতে ।। পথের প্রান্তরে শেয়ালের ডাক, নিশিথে দানিল ভয়, ভয়ার্ত পথিক চলিছে কাঁপিয়া তবু,মানে নাই পরাজয়।। পান্থ দেখিল পথেরি পাশে আঁকা-বাঁকা মোড় কত, দিশাহীন পথে ছুটিবে কোথায়? বাঁধা যেথা অবিরত ।। দূরপথ রেখা,পাইল না দেখা; নাই কেন কোন আলো, ঘনিয়াছে যেন আমাবস্যার রাত, চারদিকে ঘোর কালো।। মেঠোপথ পাশে বায়ে শত মোড়, ডানে দেখে সোজা হেথা, বিষাদগ্রস্থ পথিকের বুকে তাই বিধিঁল ভয়ের ব্যাথা।। সহসা তন্দ্রা লাগিল নেত্রে,  শক্তি   পাইল   বুকে; "হস্তে প্রদীপ,আলোকিত তায় " হেরিল সে একোন লোকে? এবার ঘুম ছুটিয়া পালাইল, চক্ষু  উঠিল  জাগি, দিগন্তে কোন প্রদীপ চিহ্ন দিশা দিল তার লাগি? অদূরে পথিকৃতের প্রদীপ দিশা দেয় যেই আলো, সে আলোয় পথিক খুজে পেল পথ পেল সত্যের সব ভালো।।  নকশা মেলিয়া, খানিক দুলিয়া  হেরিল সেঁ পথিক পানে, চাঁদহীন রাতে তারকারা সব জ্বলে ওঠে আসমানে।। পথিকৃৎ যেন বলিল তাহাকে এসো এসো এই দিকে- সত্যের পথ,সাম্যের পথ- শান্তিচিহ্ন লিখে।। পথিকৃতের পদধ্বনি শুনি, পথিক ছুটিয়া চলে চির- ...

মুসলিম হাই স্কুলের গরবগাথা

  মুসলিম হাই স্কুলের গরবগাথা মুসলিম হাই স্কুলের ছাত্ররা আজ আনন্দে উন্মুখ,  বিদ্যালয়ের অঙ্গনে তাই জাগায় মনে সুখ। এতদিন তো যায় নি শোনা,কলধ্বনির ধারা, এসে দেখো সেই খুশিতে সবাই বাঁধনহারা। পাতায়- খাতায় স্মৃতি জাগে,প্রাঙ্গনে আর মাঠে, ধূলাবালি হুল্লোড়ে আর পড়ার আদায় পাঠে। প্রকৃতির হাঁক জুড়ে যায় আমাদের স্কুলে, তাই তো কভু রাগ করিনি পড়তে গেলে ভুলে। সকাল বেলায় আসি মোরা দুপুর শেষেই ফিরি, না গোনা এই ধাপে যত দীঘল মত সিঁড়ি। আজকে সেই রূপ দেখে তাই প্রাণের জোয়ার ধায়। চিরচেনা পরিবেশে ফিরেছে সদায়। শিক্ষকদের মাণ্য করি, স্মৃরি তাদের দান, স্নেহের স্মৃতি,হৃদয় মাঝে শ্রদ্ধা ও সম্মান। মুসলিম হাই স্কুলের গরব গাথা শেষ কি কভু হবে? আসব সকল হতচ্ছাড়া; প্রমাণ করেই তবে। লেখাঃকাজী আহমদ এয়ার খান নাহিয়ান .

খোঁজ নেই

শূণ্যতা এসে ঘিরে চারিধারে মন ছুটে যেদিকেই; হৃদয়ের মাঝে যে কাব্য ছিল তার কোনো খোঁজ নেই। বারে বারে খুঁজি, তার সব স্মৃতি  তবু দেখি নেই সে, বিস্মৃতি বলে সব রীতি ভুল,  মিলবে না তার দিশে। কবিতার লেখা পথ ভুলে যায় মন হলে বিচলিত, নিখোঁজ এমনি তার সব তান, সেই কেন অবারিত। শূন্যতা আনে বিরহের সুর মনে তাই বারবার  অপার বিষাদে আনে ক্রন্দন  হৃদয়েের চারিধার। ✍️:নাহিয়ান